এবার বিমানের ভিতর প্রবাসীকে মাইর – ধর করল বাংলাদেশ বিমানের পাইলট (ভিডিও )

বাংলাদেশ বিমানের পাইলট একজন সাধারন যাত্রী কে এভাবেই হয়রানি দেখুন যারা একবার এই ভিডিওটি দেখবেন জীবনেও বাংলাদেশ বিমান কে আসলেই বয়কট করা উচিত এদের সার্ভিসের কারনে । যাদের কঠোর পরিশ্রমের টাকায় মোটা অংকের বেতন পান তাদের গায়েই আবার হাত তোলেন লজ্জা থাকা উচিত আপনাদের

এশিয়ায় পাইলট চাহিদা: লাভবান হবে বাংলাদেশ?
একটি বেসরকারি ফ্লাইং একাডেমি পাইলট হওয়ার প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন নানজিবা খান।

এ প্রশিক্ষণের সুযোগ পেতে তাকে আরও ৫০-৬০ জন প্রতিযোগীর সাথে নানা পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়েছে।

এখন দু থেকে তিন বছর প্রশিক্ষণ শেষে তিনি যখন ১৫০-১৬০ ঘণ্টা ফ্লাই করতে পারলেই কেবল পেশাদার পাইলটের লাইসেন্স পাবেন সিভিল এভিয়েশন অথরিটি থেকে।

বিবিসিকে তিনি বলেন, “চারটি ধাপের পরীক্ষা দিয়ে আমরা ভর্তির সুযোগ পেয়েছি।”

আর এভাবে প্রশিক্ষণ নিয়ে প্রতিবছর মাত্র ৩০/৩৫ জন পাইলট তৈরি হচ্ছে বাংলাদেশে, জানালেন বেসরকারি গ্যালাক্সি ফ্লাইং একাডেমির প্রধান নির্বাহী নজরুল ইসলাম।

যদিও এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ ওয়াহিদুল আলম বলছেন প্রশিক্ষণের সুবিধা বাংলাদেশে বাড়ছে ফলে তিনটি সক্রিয় একাডেমিতে প্রতি বছর প্রশিক্ষণ নিতে আগ্রহীর সংখ্যাও বাড়ছে।

কেমন পরীক্ষা হয় পাইলট প্রশিক্ষণ নেয়ার জন্য
স্কুল ও কলেজ জীবনে যারা বিজ্ঞানে পড়ালেখা করেছেন এ সুযোগ কেবল তাদের জন্য। আবার বিষয় হিসেবে পদার্থবিদ্যা ও গণিত অবশ্যই তাদের থাকতেই হবে।

উচ্চ মাধ্যমিক পাশের পর তারা প্রশিক্ষণ একাডেমিতে আবেদন করতে পারেন। এরপর লিখিত, মৌখিক, মেডিকেল সহ কয়েকটি ধাপে পরীক্ষা হওয়ার পর একজন পাইলট হিসেবে প্রশিক্ষণ নিতে ভর্তি হতে পারেন।

তবে নানজিবা খান বলছেন, “এসব পরীক্ষা এরপরেও নিয়মিত দিতে হয় তাদের। এমনকি পাইলট হওয়ার পরেও। বাবার হিয়ারিংয়ের মতো কিছু বিষয় আছে যেগুলো বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয় সবসময়।”

তবে পাইলট হতে হলে কয়েকটি ধাপ পেরোতে হয়।

প্রথমে গ্রাউন্ড কোর্সের পর সংশ্লিষ্ট একাডেমিতে লিখিত পরীক্ষা দিতে হয় এবং পরে উত্তীর্ণরা সরাসরি বিমান চালনার জন্য সিভিল এভিয়েশনে স্টুডেন্ট পাইলট লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারেন।

এরপর সিভিল এভিয়েশন অথরিটি পরীক্ষা নেয়। সিএএবির পরীক্ষা এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে, তখনই এসপিএল দেওয়া হয়।

এ লাইসেন্স দিয়ে ৪০ থেকে ৫০ ঘণ্টা বিমান চালনার সার্টিফিকেট অর্জন করে, এরপর পিপিএল বা প্রাইভেট পাইলট লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে হয়। তিন মাসের থিওরি ক্লাসও করতে হয় এসময়।

এর মধ্যেই অর্জন করতে হয় কিছুটা অভিজ্ঞতাও। যেমন এক জেলা থেকে অন্য জেলা।

এরপর আবারও লিখিত এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হয়। উত্তীর্ণ হলেই মেলে প্রাইভেট পাইলট লাইসেন্স।

কিন্তু পাইলট হিসেবে চাকরির জন্য প্রয়োজন সিপিএল বা কমার্শিয়াল পাইলট লাইসেন্স। এ লাইসেন্স পেতে ১৫০ থেকে ২০০ ঘণ্টা বিমান চালানোর অভিজ্ঞতা থাকতে হয়।

এ ছাড়া উত্তীর্ণ হতে হয় লিখিত ও স্বাস্থ্য পরীক্ষায়। পাশাপাশি থাকতে হয় একটি ক্রস কান্ট্রি ফ্লাইট চালানোর অভিজ্ঞতা ও তিন মাসের থিওরি কোর্সের সার্টিফিকেট। এভাবেই পাইলট ট্রেনিং সম্পন্ন করে হওয়া যায় একজন পাইলট।

Leave A Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *